VATax BD | Virtual Accounting, Taxation and Business Development

মূসক আইনের ধারা ৯১: মুসক কর্মকর্তাগণের ক্ষমতা।

মূসক আইনের ধারা ৯১: মুসক কর্মকর্তাগণের ক্ষমতা।

(১) একমিশনার বা মহাপরিচালক এর নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত সহকারী কমিশনার বা সহকারী পরিচালকের পদমর্যাদার নিম্নে নহেন এমন কোন। মূসক কর্মকর্তা অনুমোদিত উদ্দেশ্যে, নোটিশ প্রদানের মাধ্যমে, যেকোন ব্যক্তির নিকট নিম্নবর্ণিত তথ্যাদি দাবি করিতে পারিবেন, যথা:-
(ক) নিরীক্ষা এবং অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কোন ব্যক্তি সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য: বা
(খ) কোন ব্যক্তির কর্তৃত্বে থাকা দলিলাদি বা সাক্ষ্য-প্রমাণ।

(২) উক্ত ক্ষমতাপ্রাপ্ত মূসক কর্মকর্তার নিম্নবর্ণিত ক্ষমতা থাকিবে, যথা:-
(ক) যেকোন রেকর্ডপত্রের প্রতিলিপি করিবার:
(খ) যেকোন রেকর্ড নির্ধারিত পদ্ধতিতে, জব্দ করিবার।
(গ) যেকোন রেকর্ড বা পণ্য সীল করিবার: এবং
(ঘ) নির্ধারিত ক্ষেত্রে ও পদ্ধতিতে, যেকোন ব্যক্তির ব্যাংক এ্যাকাউন্ট অপরিচালনযোগ্য (freeze) করিবার ব্যবস্থা গ্রহণের।

(৩) উক্ত ক্ষমতাপ্রাপ্ত মূসক কর্মকর্তা কর্তৃক কোন রেকর্ড, দলিলপত্র বা পণ্য জব্দ করিবার ক্ষেত্রে, উহা যাহার নিকট হইতে জব্দ করা হইয়াছে তাহার নিকট নির্ধারিত পদ্ধতিতে ফেরত প্রদান করিতে হইবে। *[***]

[দলিলপত্র জব্দ করার ক্ষেত্রে ফরম মূসক-১২.১ এ ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দলিলাদি জব্দ করতে পারবেন এবং ফরম মূসক-১২.৩ মোতাবেক দলিলের জব্দ তালিকা তৈরি করে প্রতিষ্ঠান প্রতিনিধিকে এককপি অনুলিপি প্রদান করতে হবে। (বিধি-৬১)]

(৪) এই অধ্যায়ের কোন বিধানবলে, আন্তর্জাতিক আইনের অধীন অনুসন্ধানমুক্ত কোন আন্তর্জাতিক সংস্থা, কূটনৈতিক ভবন, কনস্যুলার বা বিদেশী রাষ্ট্রের মিশনসমূহে প্রবেশ ও তল্লাশি করা যাইবে না।

ব্যাখ্যা: এই ধারায় “অনুমোদিত উদ্দেশ্য” অর্থ-
(ক) কোন ব্যক্তির করদায় নির্ধারণের লক্ষ্যে তথ্য সংগ্রহ:
(খ) কোন ব্যক্তির নিকট হইতে কর সংগ্রহের উদ্দেশ্যে তথ্য সংগ্রহ:
(গ) কর ফাঁকি উদঘাটন; বা
(ঘ) এই আইনের বিধানাবলী পরিপালন নিশ্চিতকরণ।

1 thought on “মূসক আইনের ধারা ৯১: মুসক কর্মকর্তাগণের ক্ষমতা।”

  1. এই লেখাটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং তথ্যপূর্ণ। মূসক আইনের বিভিন্ন ধারা এবং বিধান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে দলিলপত্র জব্দ করার প্রক্রিয়া এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলির ক্ষেত্রে অনুসন্ধানের সীমাবদ্ধতা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। আমি মনে করি এই আইনগুলি সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হলে তা অনেক সমস্যার সমাধান করতে পারে। তবে কিছু বিষয়ে আরও স্পষ্টতা প্রয়োজন বলে মনে হচ্ছে। যেমন, দলিলপত্র ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়াটি কতটা সময়সাপেক্ষ হতে পারে? এই আইনগুলি প্রয়োগের ক্ষেত্রে কোন ধরনের চ্যালেঞ্জ দেখা দিতে পারে? আপনার অভিজ্ঞতা বা মতামত শেয়ার করলে ভালো হয়।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top