(১) যেক্ষেত্রে কোন করদাতা গকর ফাঁকির উদ্দেশ্যে এই আইনের বিধানাবলী পরিপালন না করেন, সেইক্ষেত্রে কমিশনার কর্তৃক আদিষ্ট মূসক কর্মকর্তা নির্ধারিত পদ্ধতিতে উক্ত করদাতার প্রকৃত করদায় নির্ধারণের লক্ষ্যে, তাহার কর আরোপযোগ্য অর্থনৈতিক কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট যেকোন স্থানে তত্ত্বাবধানাধীন সরবরাহ, পর্যবেক্ষণ এবং নজরদারী করিতে পারিবেন।
(২) উক্ত মূসক কর্মকর্তা উল্লিখিত করদাতার করদায় নির্ধারণের উদ্দেশ্যে যাবতীয় তথ্যাবলী উল্লেখ করিয়া কমিশনারের নিকট প্রতিবেদন দাখিল করিবেন।
(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন দাখিলকৃত প্রতিবেদন এবং এই আইন বা তদধীন প্রণীত বিধিমালার অধীন সংগৃহীত তথ্যাবলীর ভিত্তিতে, কমিশনার করদাতাকে শুনানির সুযোগ প্রদান করিয়া করদাতার প্রকৃত করদায় নির্ধারণ করিতে পারিবেন।



এই আইনের বিধানগুলো বেশ জটিল এবং বিস্তারিত মনে হচ্ছে। করদাতাদের জন্য এটি কতটা বোঝা সহজ হবে, তা নিয়ে সন্দেহ আছে। মূসক কর্মকর্তাদের ক্ষমতা এবং দায়িত্বগুলো স্পষ্ট, কিন্তু এতে করদাতাদের অধিকার কতটা সুরক্ষিত হবে? প্রতিবেদন দাখিল এবং শুনানির প্রক্রিয়া কতটা স্বচ্ছ এবং ন্যায্য হবে? এই আইন কি করদাতাদের জন্য অতিরিক্ত বোঝা হয়ে দাঁড়াবে? শেষ পর্যন্ত, এই আইনের প্রয়োগ কতটা কার্যকর হবে, তা জানতে আগ্রহী। আপনি কি মনে করেন এই আইন করদাতাদের জন্য উপকারী হবে?
এই আইনের বিধানগুলি সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ মনে হচ্ছে, বিশেষ করে কর ফাঁকি রোধে। তবে, মূসক কর্মকর্তাদের ক্ষমতা এবং তাদের তত্ত্বাবধানের প্রক্রিয়া নিয়ে কিছু প্রশ্ন আছে। করদাতাদের শুনানির সুযোগ দেওয়া ভালো উদ্যোগ, কিন্তু এই প্রক্রিয়া কতটা স্বচ্ছ? করদাতাদের পক্ষে এই আইন বোঝা এবং মানা কতটা সহজ হবে? এ ধরনের বিধিগুলো প্রয়োগের ক্ষেত্রে কি কোনো চ্যালেঞ্জ আছে? আপনার অভিজ্ঞতা বা মতামত শেয়ার করলে ভালো লাগবে।
এই আইনের বিধানগুলো বেশ জটিল এবং বিস্তারিত মনে হচ্ছে। করদাতাদের জন্য এটি কঠিন হতে পারে, বিশেষ করে যারা নতুন বা ছোট ব্যবসা চালাচ্ছেন। মূসক কর্মকর্তাদের এত ক্ষমতা দেওয়া কি সত্যিই ন্যায্য? করদায় নির্ধারণের প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ হলে ভালো হতো। শুনানির সুযোগ দেওয়া ভালো উদ্যোগ, কিন্তু এটি কতটা কার্যকর? এই আইন কি সত্যিই কর ফাঁকি রোধ করতে পারবে? আপনার কি মনে হয় এই আইনটি করদাতাদের জন্য সহায়ক নাকি বোঝা হয়ে দাঁড়াবে?